Wednesday, 28 October 2015

Is wearing of SUIT - TIE - PANT prohibited in Islam?

Is wearing of SUIT - TIE - PANT prohibited in Islam,Professor Br.Imran bhai, Z.Naik

CLICK on Imram photo:- 

https://youtu.be/Yp7WNapGoDY



Dr. Zakir Naik - Islam Men Coat & Tie.

CLICK on Zakir Naik photo:- 


https://youtu.be/PerGuyP9O94
Q:--লেবাচ সম্পৰ্কীয় হাদীচত দেখা গৈছে যে আমাৰ লেবাচ অমুচলীমৰ সদৃশ হব নালাগে ( আহমদ , আবুদাউদ , মিশকাত /হা ৪৩৪৭, অধ্যায় ২২ )। এতিয়া প্ৰশ্ন হয় আমি পিন্ধা লংপেন্ট চাৰ্ট অমুচলীমৰ সদৃশ , গতিকে এনে পোছাক পিন্ধা উচিত নে বা এনে পোছাকেৰে চালাত আদায় কৰিব পাৰিনে ?(PH)

Ans:-
--Pant shirt omuslimor dress nohoy, pant shirt.....huni asorit hobo.....muslimor abishkar. When spain was the capital of islamic upliftment. When Cordoba university was the main centre of education in Europe, there Muslims wore pants and shirts. This dress custom was carried by the non Muslim Europeans from spain to other parts of the world and modified accordingly.(AA)


--Non muslims have been copying since the then muslim world's capital.MR-D)


-- পাঞ্জাৱীটো বিধৰ্মীৰ পোচাক । বিধৰ্মীৰ পোচাক পিন্ধা মানা আছে । দেওবন্দীসকলে কিয় পিন্ধে ?(JR)

Monday, 26 October 2015

সৌদী আরবে গিয়ে হজ্ব করে এসেছি আমরা অনেকেই : মাযহাবী ধ্যান-জ্ঞান এতই প্রবল যে, সহীহ জিনিষ পেটে পুরে দিলেও প্রয়োজনে বমি করবো




M Towfiqur Rahman
 
সৌদী আরবে গিয়ে হজ্ব করে এসেছি আমরা অনেকেই;
.
.
কিন্তু আফসোস! সেখানে পঠিত নামাযটাই আনতে পারিনি।
আমাদের মধ্যে মাযহাবী ধ্যান-জ্ঞান এতই প্রবল যে, সহীহ জিনিষ পেটে পুরে দিলেও প্রয়োজনে বমি করবো, কিন্তু হজম করবো না। চোখে দেখেও না। এর কারণ কি?
হজ্ব করে এসেছি;
অথচ
আমাদের ইকামত পরিবর্তন হয়নি,
কিয়াম সংশোধন হয়নি,
আমাদের সূরা ফাতিহার তেলাওয়াত ঠিক নেই,
আমাদের রুকু-সিজদায় সময় দান সঠিক নেই,
সুন্নাহ লোকজনের অন্তরালে আদায়ের আগ্রহ নেই,
তাসবিহ ছাড়তে পারিনি,
সম্মিলিত মুনাজাতের ভুততো আগের মতোই।
মুখস্ত খুতবার প্রাকটিস সেও তথৈবচ
আরো কতকি?
তাহলে, কি এনেছি আমরা?
তাসবিহদানা
জায়নামায
স্বর্ণ
পোষাক
নানা জাতের খেুজর
৫ গ্যালন জমজমের পানি
সৌদী উপহার কুরআন
এগুলো।
একটু সচেতন হওয়া কি জরুরী নয়? সারা জীবন নামায পড়ছি, অথচ এখনো অনেক সহীহ হাদীসের উপর আমলই করতে বাকী। কিভাবে মানা যায় এ সব। কতটা দরদ দিয়ে হারামাইন থেকে নামায সংশোধনের জন্য ফ্রি বই দিচ্ছে। তাতেও কি ভাববার কিছু নেই। সব সহীহ হাদীসগুলোতো রাসূল সা. এর। বুখারী আর মুসলিম শরীফের বিশুদ্ধতার উপর এখনো কিতাব নেই। তাহলে?
আমাদের ভাববার, আমল করবার সময় কিন্তু দুনিয়াতে, মরার পর আর কোন সময় নেই। আমাদের কাবার দিকে, কাবা থেকে প্রদত্ত নির্দেশনার দিকে ফিরে যাওয়া খুবই জরুরী। কেননা, এ প্রতিষ্ঠানটি এখনো সর্বাধিক বিশুদ্ধ বক্তব্য দিয়ে থাকে। তাই যুক্তিতে তাদের মানাই নিরাপদ। যদি একটু সময় নিয়ে ভাবি। আল্লাহ অমাদের তওফিক দিন I

Sunday, 11 October 2015

বিদআতীরা কিতাদের প্রমানের বিশ্বাস করে না

[<কেবলমাত্র রসম পুজারী বিদআতীরা কিতাদের প্রমানের বিশ্বাস করে না এবং কিতাবের দলিল প্রমাণের প্রয়োজন মনে করে না
============================
বাস্তব "আমল / কাজ" সম্পর্কে
আল্লাহতালা বলেন,
"আসরের কসম! সমস্ত মানব জাতী অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে আছে।কিন্ত তারা ব্যতীত,যারা ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে,হকের কথা বলে।এবং ধৈর্য ধারণ করে "।১০৩নংসুরা আসর
"আর যারা ইমান আনে সৎ আমল করে আমি তাদের মন্দ কাজগুলো মিটিয়ে দিব এবং তাদের কাজের উত্তম বিনিময় দান করব"(আনকাবুত৭)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<[<<<< মৌখিক উচ্চারণ সম্পর্কে>>>>>>>>>]
আল্লাহতালা বলেন,,,"তুমি বলে দাও -আমার সালাত,আমার কুরবানী, আমার জীবন, ও আমার মরণ সব কিছুই সারা জাহানের রব আল্লাহতালা জন্য।"(আন আম-১৬২)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
আল্লাহতালা বলেন,
"তার কথার চেয়ে কার কথা উত্তম। যে আল্লাহর দিকে মানুষকে ডাকে আহবান করে, সৎ আমল করে এবং বলেঃ আমি মুসলিম।"(হামীম,আসসাজদাঃ৩৩)
_____________________________________
"মানুষ যে কথাই (মুখে)উচ্চারণ করে তা,রেকর্ড করে রাখার জন্য তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে।" (ক্বাফঃআয়াত নং১৮)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
"কিন্ত এই জালিমরা পরিবর্তন (বদল)করল তাদের প্রতি আদিস্ট কথাটি, তার বিপরীত আপর ইকটি কথা দ্বারা, অতএব আমি নাযিল করলাম, সেই যালিমেদের উপর আসমানী গযব।এই জন্য যে,তারা বিধান অমান্য করেছিল।"(বাকারা-৫৯)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
"বস্তুতঃ সকল মানুষের জন্য এটা একটা পয়গাম।আর এটা পাঠানো হয়েছে এ জন্য যে,এর দ্বারা তাদেরকে সাবধান করা হবে এবং
তারা জেনে নিবে যে,প্রকৃত পক্ষে ইলাহ শুধু একজনই,,, আর বুদ্ধিমান লোকেরা যেন চিন্তা -ভাবনা করে। "(ইবরাহীম--৫২)
আল্লাহতালাআরো বলেন,
"যারা জেনে সুনে সত্যের সাক্ষয দিয়েছে তাদের কথা ভিন্ন"
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
আল্লাহতালা হুকুম,
"অতএব তোমাদের যদি জানা না থাকে, তাহিলে জ্ঞাণীদের নিকট জিজ্ঞাস কর,
কিতাবাদির প্রমান সহ।"(-১৬নং সুরা নাহল-৪৩-৪৪বং আয়াত)
আল্লাহতালা সাবাইকে বুঝার জ্ঞান দান করুক।
জাজাকাল্লাহ খাইরান।

দুই চোখের মাঝখানে বা কপালে ভাগ্য লেখার কথা হাদিসে রয়েছে

<<<<ভাগ্যর লিখনি বলতে কি বুযি তাঁর প্রতি কতটুকু বিশ্ব্যাস রাখি?>>>>
========================
আমরা অনেকে একটু কষ্টে থাকলেই বলি, পোড়া কপাল’, ‘কপালে লেখা’, ‘কপালে ছিল’, বা ‘কপাল খারাপ।
এই ইত্যাদি বলা বৈধ কি???
প্রত্যেকের ভাগ্য লেখা আছে ‘লাওহে মাহফুজ’- এ। সেটাই হল মুল ভাগ্যলিপি।
‪#‎মহান‬ আল্লাহ বলেন,
“পৃথিবীতে অথবা ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর যে বিপর্যয় আসে, আমার তা সংঘটিত করার পূর্বেই তা লিপিবদ্ধ থাকে,
নিশ্চয় আল্লাহর পক্ষে তা খুবই সহজ। (হাদিদঃ২২)★★
কিন্তু জীবনের তফসীলী ভাগ্য লেখা হয় মায়ের পেটে।
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, “তোমাদের জন্য এক জন্যের সৃষ্টির উপাদান মায়ের গর্ভে চল্লিশ দিন যাবত বীর্যের আকারে থাকে। অতঃপর তা অনুরূপ ভাবে চল্লিশ দিনে জমাটবদ্ধ রক্তপিণ্ডের রূপ নেয়।
পুনরায় তদ্রূপ চল্লিশ দিনে গোশতের টুকরায় রূপান্তরিত করা হয়। অতঃপর তার নিকট ফিরিশতা পাঠানো হয়।
সুতরাং তার মাঝে রূহ স্থাপন করা হয় চারটি কথা লেখার আদেশ দেয়া হয়; তার রুযী, মৃত্যু, আমল এবং পাপিষ্ঠ না পূর্ণবান হবে, তা লেখা হয়।
সেই সত্তার শপথ, যিনি ছাড়া ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই!
(জন্মের পর) তোমাদের এক ব্যক্তি জান্নাতবাসীদের মত কাজ কর্ম করতে থাকে এবং তার ও জান্নাতের মাঝে এক হাত মত তফাত থেকে যায়।
এমতবস্থায় তার ভাগ্যের লিখন এগিয়ে আসে এবং সে জাহান্নামীদের মত আমল করতে লাগে; ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে।
আর তোমাদের অন্য এক ব্যক্তি প্রথমে জাহান্নামীদের মত আমল করে এবং তার ও জাহান্নামের মাঝে এক হাত মত তফাত থাকে।
এমতবস্থায় তার ভাগ্যের লিখন এগিয়ে আসে এবং সে জান্নাতিদের মত ক্রিয়াকর্ম আরম্ভ করে; পরিণতিতে সে জান্নাতে প্রবেশ করে।” (বুখারি-মুসলিম)★
কিন্তু লিখা হয় কোথায়?
সে কথা অন্য বর্ণনায় পরিষ্কার করা হয়েছে।
‪#‎মহানবী‬ (সঃ) বলেছেন,
“আল্লাহ যখন কোন মানব প্রাণ সৃষ্টি করার ইচ্ছা করেন, তখন মাতৃগর্ভে নিযুক্ত ফিরিশতা আরজ করেন, “হে প্রভু ! দুর্ভাগ্যবান, না সৌভাগ্যবান?’
সুতরাং আল্লাহ নিজ ফয়সালা বহাল করেন। অতঃপর তার দুই চোখের মাঝখানে তা লিখে দেন, যার সে সম্মুখীন হবে,
এমনকি সেই মুসীবতও লিখে দেওয়া হয়, যা তাকে ক্লিষ্ট করবে।”
★★(ইবনে হিব্বান ৬১৭৮, আবু য়্যা’লা ৫৭৭৫ নং, মাজমাউজ জাওয়ায়েদ ৭/ ১১২)★★
========================
♦বলা বাহুল্য, দুই চোখের মাঝখানে বা কপালে ভাগ্য লেখার কথা হাদিসে রয়েছে।
তাই ‘কপালে ছিল’, ‘কপালের লেখা’ বা ‘কপাল খারাপ’ ইত্যাদি বলা দূষণীয় নয়।
তবে ভাগ্য বা কপালকে গালি দেওয়া বৈধ নয়। যেমন ‘পোড়া কপাল’, ‘নিষ্ঠুর নিয়তি’ ইত্যাদি বলা বৈধ নয়।★★★
========================
★হে আল্লাহ তোমি আমাদের যেভাবে যে অবস্থায় রাখো তাতে
সন্তুষ্ট থাকার তৌফিক প্রদান করো। (আমিন)
---------------------------------------------------------------------------
COMMENTS:-
 Sugiura Needle Azida আমি একটু কথা,যোগ দিতে চাই
"লওহে মাহফুজ"যে মুল ভাগ্য লিপি আল্লাহতালা বলেছেন,সেখানে লিখে,কলমের কালি শুকিয়ে ফেলেছেন।
কোন প্ররিবর্তন হবে না।

কিন্তু মায়ের গুর্ভে যে ভাগ্যলিখন হয় সেখানের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হয় যে,,আল্লাহতালা আপনি আমার ভাগ্যে ভাল নাযিল করেন।আমার তগদির পরিবর্ত্ণ করে দিন।আমার তগদিরে ভাল নাযিল করেন দুনিয়াতেও পরকালেও
আমাকে সরল পথে পরিচালিত করেন।
এখানে বান্দার তাওহীদ বিত্রিক আমল দ্বারা আল্লাহকে খুশি,, রাজী করাইতে পারলে,,, আল্লাহতালা বান্দার কথা,, শুনেন।।নিরাশ হয়ার কিছু নাই,,
ভাল আমল করেন পানাহা চান,,
মুমিনদের জন্য আল্লাহতালাই যথেস্ট।
আমিন।

Tuesday, 22 September 2015

দান-ছাদকা গুনাহ মিটিয়ে ফেলে যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে ফেলে

Assalamu alaikum wa rahmatullah wa barakatuho. ...
“দান-ছাদকা গুনাহ মিটিয়ে ফেলে যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে ফেলে।” (সহীহুল জামে/৫১৩৬)
ধন-সম্পদের প্রকৃত মালিক আল্লাহ তা’আলা। তিনি যাকে ইচ্ছা উহা প্রদান করে থাকেন। এজন্য এ সম্পদ অর্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে তাঁর বিধি-নিষেধ মেনে চলা আবশ্যক। সৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন ও সৎ পথে উহা ব্যয় করা হলেই তার হিসাব প্রদান করা সহজ হবে। কিয়ামতের দিন যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কোন মানুষ সামনে যেতে পারবে না, তম্মধ্যে দু’টি প্রশ্নই ধন-সম্পদ বিষয়ক। প্রশ্ন করা হবে, কোন পথে সম্পদ উপার্জন করেছ এবং কোন পথে উহা ব্যয় করেছ।
সন্দেহ নেই ধন-সম্পদ নিজের আরাম-আয়েশ এবং পরিবারের ভরণ-পোষণের ক্ষেত্রে ব্যয় করার অনুমতি ইসলামে আছে এবং অনাগত সন্তানদের জন্য সঞ্চিত করে রাখাও পাপের কিছু নয়। কিন্তু পাপ ও অন্যায় হচ্ছে, সম্পদে গরীব-দুঃখীর হক আদায় না করা। অভাবী মানুষের দুঃখ দূর করার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করা। অথচ আল্লাহ বলেন:
وَالَّذِينَ فِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَعْلُومٌ، لِلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
“এবং তাদের সম্পদে নির্দিষ্ট হক রয়েছে। ভিক্ষুক এবং বঞ্চিত (অভাবী অথচ লজ্জায় কারো কাছে হাত পাতে না) সকলের হক রয়েছে।” (মাআরেজ- ২৪-২৫)
অধিকাংশ মানুষ দান-খয়রাত করতে চায় না। মনে করে এতে সম্পদ কমে যাবে। তাই সম্পদ সঞ্চিত করে রাখতেই সর্বদা সচেষ্ট থাকে, এমনকি নিজের প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেও খরচ করতে কৃপণতা করে।
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
“মানুষ বলে আমার সম্পদ আমার সম্পদ অথচ তিনটি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সম্পদই শুধু তার। যা খেয়ে শেষ করেছে, যা পরিধান করে নষ্ট করেছে এবং যা দান করে জমা করেছে- তাই শুধু তার। আর অবশিষ্ট সম্পদ সে ছেড়ে যাবে, মানুষ তা নিয়ে যাবে।” (মুসলিম)
দান-ছাদকা করার ফযীলত
দান-ছাদকা করলে সম্পদ কমে না:
আবু কাবশা আল আনমারী (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি শুনেছেন রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
” مَا نَقَصَ مَالُ عَبْدٍ مِنْ صَدَقَةٍ
“ছাদকা করলে কোন মানুষের সম্পদ কমে না।” (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)
ক) দান সম্পদকে বৃদ্ধি করে:
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক এরশাদ করেন:
مَثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنْبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنْبُلَةٍ مِائَةُ حَبَّةٍ وَاللَّهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
“যারা আল্লাহর রাস্তায় সম্পদ ব্যয় করে তার উদাহরণ হচ্ছে সেই বীজের মত যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। আর প্রতিটি শীষে একশতটি করে দানা থাকে। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অতিরিক্ত দান করেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত সুবিজ্ঞ।” (সূরা বাকারা-২৬১)
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
مَنْ أَنْفَقَ نَفَقَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَتْ لَهُ بِسَبْعِ مِائَةِ ضِعْفٍ
“যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে কোন কিছু ব্যয় করবে তাকে সাতশত গুণ ছওয়াব প্রদান করা হবে।” (আহমাদ, সনদ ছহীহ)
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন:
“যে ব্যক্তি নিজের হালাল কামাই থেকে- আল্লাহ হালাল কামাই ছাড়া দান কবুল করেন না- একটি খেজুর ছাদকা করে, আল্লাহ উহা ডান হাতে কবুল করেন অতঃপর তা বৃদ্ধি করতে থাকেন- যেমন তোমরা ঘোড়ার বাচ্চাকে প্রতিপালন করে থাক- এমনকি উহা একটি পাহাড় পরিমাণ হয়ে যায়।” (বুখারী ও মুসলিম)
খ) দানকারীর জন্য ফেরেশতা দু’আ করে:
আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“প্রতিদিন সকালে দু’জন ফেরেশতা অবতরণ করেন। তাদের একজন দানকারীর জন্য দু’আ করে বল,
اللَّهُمَّ أَعْطِ مُنْفِقًا خَلَفًا
“হে আল্লাহ দানকারীর মালে বিনিময় দান কর। (বিনিময় সম্পদ বৃদ্ধি কর)”
আর দ্বিতীয়জন কৃপণের জন্য বদ দু’আ করে বলেন,
اللَّهُمَّ أَعْطِ مُمْسِكًا تَلَفًا
“হে আল্লাহ কৃপণের মালে ধ্বংস দাও।” (বুখারী ও মুসলিম)
গ) দানকারীর দুনিয়া আখিরাতের সকল বিষয় সহজ করে দেয়া হয়:
আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
مَنْ يَسَّرَ عَلَى مُعْسِرٍ يَسَّرَ اللَّهُ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
”যে ব্যক্তি কোন অভাব গ্রস্তের অভাব দূর করবে, আল্লাহ তার দু’নিয়া ও আখিরাতের সকল বিষয় সহজ করে দিবেন।” (মুসলিম)
ঙ) গোপনে দান করার ফযীলতঃ
গোপন-প্রকাশ্যে যে কোনভাবে দান করা যায়। সকল দানেই ছওয়াব রয়েছে। আল্লাহ বলেন:
إِنْ تُبْدُوا الصَّدَقَاتِ فَنِعِمَّا هِيَ وَإِنْ تُخْفُوهَا وَتُؤْتُوهَا الْفُقَرَاءَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَيُكَفِّرُ عَنْكُمْ مِنْ سَيِّئَاتِكُمْ
”যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-খয়রাত কর, তবে তা কতই না উত্তম। আর যদি গোপনে ফকীর-মিসকিনকে দান করে দাও, তবে এটা বেশী উত্তম। আর তিনি তোমাদের পাপ সমূহ ক্ষমা করে দিবেন।” (সূরা বকারা- ২৭১)
চ) গোপনে দানকারী কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের নীচে ছায়া লাভ করবে:
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
“কিয়ামত দিবসে সাত শ্রেণীর মানুষ আরশের নীচে ছায়া লাভ করবে।… তম্মধ্যে এক শ্রেণী হচ্ছে:
وَرَجُلٌ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ فَأَخْفَاهَا حَتَّى لَا تَعْلَمَ شِمَالُهُ مَا تُنْفِقُ يَمِينُهُ
“এক ব্যক্তি এত গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত কি দান করে বাম হাত জানতেই পারে না।” (বুখারী ও মুসলিম)
ছ) দান-ছাদকা গুনাহ মাফ করে ও জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচায়:
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
“হে কা‘ব বিন উজরা! ছালাত (আল্লাহর) নৈকট্য দানকারী, ছিয়াম ঢাল স্বরূপ এবং দান-ছাদকা গুনাহ মিটিয়ে ফেলে যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে ফেলে।” (আবু ইয়ালা, সনদ ছহীহ)
রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ
“খেজুরের একটি অংশ দান করে হলেও তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা কর।” (বুখারী ও মুসলিম)
জ) মানুষ কিয়ামতে দান-ছাদকার ছায়াতলে থাকবে:
উক্ববা বিন আমের (রা:) থেকে বর্ণিত। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
“নিশ্চয় দান-ছাদকা দানকারী থেকে কবরের গরম নিভিয়ে দিবে। আর মু’মিন কিয়ামত দিবসে নিজের ছাদকার ছায়াতলে অবস্থান করবে।” (ত্ববরানী, বাইহাক্বী, সনদ ছহীহ)
লোক দেখানোর জন্য দান
কিন্তু বর্তমান যুগে অনেক মানুষ এমন আছে, যারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে দান করে এবং তা মানুষকে দেখানোর জন্য। মানুষের ভালবাসা নেয়ার জন্য। মানুষের প্রশংসা কুড়ানোর জন্য। মানুষের মাঝে গর্ব অহংকার প্রকাশ করার জন্য। অনেকে দুনিয়াবি স্বার্থ সিদ্ধির জন্যও দান করে থাকে। যেমন, চেয়ারম্যান বা এমপি নির্বাচনে জেতার উদ্দেশ্য দান করে। কিন্তু দান যদি একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য না হয় তা দ্বারা হয়ত দুনিয়াবি কিছু স্বার্থ হাসিল হতে পারে কিন্তু আখেরাতে তার কোন প্রতিদান পাওয়া যাবে না।
হাদীছে কুদসীতে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন আল্লাহ বলেন:
أَنَا أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ مَنْ عَمِلَ عَمَلًا أَشْرَكَ فِيهِ مَعِي غَيْرِي تَرَكْتُهُ وَشِرْكَهُ “
“আমি শির্ক কারীদের শিরক থেকে মুক্ত। যে ব্যক্তি কোন আমল করে তাতে আমার সাথে অন্যকে শরীক করবে, তাকে এবং তার শির্কী আমলকে আমি পরিত্যাগ করব।” (মুসলিম)
বরং যারা মানুষের প্রশংসা নেয়ার উদ্দেশ্যে দান করবে, তাদের দ্বারাই জাহান্নামের আগুনকে সর্বপ্রথম প্রজ্বলিত করা হবে।
রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
“সর্বপ্রথম তিন ব্যক্তিকে দিয়ে জাহান্নামের আগুনকে প্রজ্বলিত করা হবে।… তম্মধ্যে (সর্ব প্রথম বিচার করা হবে) সেই ব্যক্তির, আল্লাহ যাকে প্রশস্ততা দান করেছিলেন, দান করেছিলেন বিভিন্ন ধরনের অর্থ-সম্পদ। তাকে সম্মুখে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর (আল্লাহ) তাকে প্রদত্ত নেয়ামত রাজীর পরিচয় করাবেন। সে উহা চিনতে পারবে। তখন তিনি প্রশ্ন করবেন, কি কাজ করেছ এই নেয়ামত সমূহ দ্বারা? সে জবাব দিবে, যে পথে অর্থ ব্যয় করলে আপনি খুশি হবেন এ ধরনের সকল পথে আপনার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে অর্থ-সম্পদ ব্যয় করেছি। তিনি বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। বরং তুমি এরূপ করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, তোমাকে বলা হবে, সে দানবীর। আর তা তো বলাই হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে। তখন তাকে মুখের উপর উপুড় করে টেনে-হিঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (মুসলিম)
আত্মীয়-স্বজনকে দান করা
সালমান বিন আমের (রা:) থেকে বর্ণিত, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
“মিসকিনকে দান করলে তা শুধু একটি দান হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু গরীব নিকটাত্মীয়কে দান করলে তাতে দ্বিগুণ ছওয়াব হয়। একটি ছাদকার; অন্যটি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার।” (নাসাঈ, তিরমিযী)
দান-ছাদকা করে খোঁটা দেয়া
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُمْ بِالْمَنِّ وَالْأَذَى
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা খোঁটা দিয়ে ও কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান-খায়রাতকে বরবাদ করে দিও না।” (সূরা বকারা- ২৬৪)
আবু যর (রা:) থেকে বর্ণিত, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
“কিয়ামত দিবসে আল্লাহ পাক তিন ব্যক্তির সাথে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক শাস্তি। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। আবু যার (রা:) বললেন, ওরা ধ্বংস হোক ক্ষতিগ্রস্ত হোক- কারা তারা হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন, “টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে যে কাপড় পরিধান করে, দান করে যে খোঁটা দেয় এবং মিথ্যা শপথ করে যে ব্যবসায়ী পণ্য বিক্রয় করে।” (মুসলিম)
কৃপণের পরিণতি
কৃপণতা একটি নিকৃষ্ট বিষয়। কৃপণতা থেকে মনের মাঝে হিংসা সৃষ্টি হয়। এ কারণে মানুষ লোভী হয়। ফলে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং সম্পদের লোভে যে কোন ধরণের অন্যায় ও অবৈধ কাজে পা বাড়ায়। এজন্য নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবিষয়ে উম্মতকে সতর্ক করেছেন।
তিনি বলেছেন:
“তোমরা কৃপণতা ও লোভ থেকে সাবধান। কেননা পূর্ব যুগে এই কারণে মানুষ রক্তের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, মানুষকে খুন করেছে এবং নানা প্রকার পাপাচার ও হারাম কাজে লিপ্ত হয়েছে।” (আবু দাউদ, হাকেম) এজন্য নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কৃপণতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তিনি দু’আয় বলতেন, “হে আল্লাহ তোমার কাছে কৃপণতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।..” (মুসলিম)
লেখক: মুহাঃ আবদুল্লাহ আল কাফী বিন আব্দুল জলীল
লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
সম্পাদনা : আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
দাঈ, জুবাইল দাওয়া এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সঊদী আরব।

দাড়ি লম্বা করা : দাড়ি রাখার উপকারিতা


ফোতওয়াঃ দাড়ি লম্বা করা
ক্বিতাবঃ সহীহ ফিক্বহুস সুন্নাহ
ফকিহঃ আবূ মালিক কামাল বিন আস-সাইয়্যিদ সালিম
অধ্যায়ঃ স্বভাবজাত (ফিতরাত) সুন্নাতসমূহ
.
দাড়ি লম্বা করার হুকুম:
.
পুরুষের জন্য দাড়ি লম্বা করা ওয়াজিব। এর কারণ নিম্নরূপ:
.
১। মহানাবী ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ﷺ) দাড়ি লম্বা করার নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশটা ওয়াজিব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। মানদূব (যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না) অর্থে ব্যবহৃত হওয়ার কোন ইঙ্গিত এখানে নেই।
.
এ ব্যাপারে মহানাবী (ﷺ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )এর বাণী হলো:
.
ﺧﺎﻟﻔﻮﺍ ﺍﻟﻤﺸﺮﻛﻴﻦ : ﻭﻓﺮﻭﺍ ﺍﻟﻠﺤﻰ ﻭﺃﺣﻔﻮﺍ ﺍﻟﺸﻮﺍﺭﺏ
.
(দাড়ি ও গোফের ব্যাপারে) তোমরা মুশরিকদের বিপরীত কর। দাড়ি লম্বা কর এবং গোঁফ ছোট কর।[ সহীহ; বুখারী ৫৮৯২, মুসলিম ২৫৯ ]
.
তিনি আরও বলেন:
.
ﺟﺰﻭﺍ ﺍﻟﺸﻮﺍﺭﺏ ﻭﺃﺭﺧﻮﺍ ﺍﻟﻠﺤﻰ ﺧﺎﻟﻔﻮﺍ ﺍﻟﻤﺠﻮﺱ
.
‘তোমরা গোঁফ কাট এবং দাড়ি লম্বা কর আর অগ্নি পুজকদের বিরোধিতা কর ’।[ সহীহ; মুসলিম (২৬০)]
.
২। দাড়ি মুণ্ডন করা কাফিরদের সাথে সাদৃশ্য রাখে। যেমনটি পূর্বোলেস্নখিত হাদীসদ্বয়ে বর্ণিত হয়েছে।
.
৩। দাড়ি কর্তন করলে আল্লাহ্র সৃষ্টির পরিবর্তন করা হয় এবং শয়তানের আনুগত্য করা হয়।
.
আল্লাহ্র বাণী:
.
﴿ ﻭَﻟَﺂﻣُﺮَﻧَّﻪُﻡْ ﻓَﻠَﻴُﻐَﻴِّﺮُﻥَّ ﺧَﻠْﻖَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﴾
.
অবশ্যই তাদেরকে আদেশ করব, ফলে অবশ্যই তারা আল্লাহ্র সৃষ্টি বিকৃত করবে (সূরা নিসা-১১৯)।
.
৪। দাড়ি মুণ্ডন করলে নারীদের সাদৃশ্য হয়ে যায়। যে সব পুরুষেরা নারীর সাদৃশ্য গ্রহণ করে; আল্লাহ্র রাসূল ( ﷺ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদের প্রতি অভিশাপ করেছেন।[ বুখারী (৫৮৮৫), তিরমিযী (২৯৩৫)]
.
এজন্য শাইখুল ইসলাম বলেন: দাড়ি মুণ্ডন করা হারাম।[ ইখতিয়ারাতুল ফিকহিয়্যাহ (পৃ. ১০) আলাউদ্দীন আলবা’লী প্রণীত। আল-ফুরু’ (১/২৯১) ‘ইবনু মুফালিহ’ প্রণীত। ] ইবনে হাযম ও অন্যান্য বিদ্বানগণ বলেন: দাড়ি মুণ্ডন করা হারাম, এ ব্যাপারে ইজমা রয়েছে।[ মারাতীবুল ইজম’, রাদ্দুল মুহতার-(২/১১৬)]
.
এক মুষ্টির অতিরিক্ত দাড়ি ছাটা জায়েয আছে কি?
.
কতিপয় বিদ্বানের মতে: এক মুষ্টি দাড়ি রেখে বাকি অংশ কেটে ফেলা জায়েয আছে। তারা ইবনে উমার (রাঃ) এর হাদীস দ্বারা দলীল পেশ করে থাকেন।
.
ﻛَﺎﻥَ ﺍﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ : « ﺇِﺫَﺍ ﺣَﺞَّ ﺃَﻭِ ﺍﻋْﺘَﻤَﺮَ ﻗَﺒَﺾَ ﻋَﻠَﻰ ﻟِﺤْﻴَﺘِﻪِ، ﻓَﻤَﺎ ﻓَﻀَﻞَ ﺃَﺧَﺬَﻩُ »
.
ইবনে উমার (রাঃ) যখন হাজ্জ ও উমরা করতেন তখন তার দাড়ি ধরে অতিরিক্ত অংশ ছেঁটে ফেলতেন।[ সহীহ; বুখারী (৫৮৯২), মুসলিম (২৫৯)]
.
তারা বলেন: তিনি (উমার) দাড়ি লম্বার নির্দেশ দেয়া হাদীসের রাবী। সুতরাং তিনিই তার বর্ণনা সম্পর্কে বেশি বুঝেন।
.
এই আসারের মাধ্যে তাদের কোন দলীল নেই।[ ইহা শাইখ আল-হাবীহ ওয়াহিদ আঃ সালাম তাঁর আল ইকলিল (১/৯৬) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন] কেননা-
(১) ইবনে উমার এটা হাজ্জ ও উমরা থেকে হালাল হওয়ার পর করেছিলেন। অথচ সেটাকে তারা সর্বাবস্থার জন্য বৈধ মনে করেন।
.
(২) ইবনে উমার (রাঃ) এ কাজটি আল্লাহ্র বাণী- ﻣُﺤَﻠِّﻘِﻴﻦَ ﺭُﺀُﻭﺳَﻜُﻢْ ﻭَﻣُﻘَﺼِّﺮِﻳﻦَ অর্থাৎ: তোমাদের মাথা মুণ্ডন করে এবং চুল ছেঁটে (নির্ভয়ে মাসজিদুল হারামে অবশ্যই প্রবেশ করবে) (সূরা : ফাতাহ-২৭)। এ আয়াতটির উপর তা‘বীল করে করেছেন। অর্থাৎ: হাজ্জের সময় মাথা মুণ্ডন করতে হবে, আর দাড়ি ছোট করতে হবে।[ দেখুন! ‘শারহুল কিরমানী আলাল বুখারী (২১/১১১)]
.
(৩) সাহাবাগণ যখন তাদের বর্ণনার বিপরীত কিছু বলেন বা করেন, তখন যা বর্ণনা করেছেন তাই গ্রহণ করতে হয়। তাদের বোধগম্যতা ও কর্ম ধর্তব্য নয়। বরং মহানাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিকে সম্পৃক্ত বিষয়টিই ধর্তব্য।
.
উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে, বিশুদ্ধ মতামত হলো, দাড়ি ছেড়ে দেয়া ওয়াজিব। অনেক সহীহ হাদীসে দাড়ি লম্বা করার ব্যাপারে সাধারণভাবে নির্দেশ দেয়ার ফলে তা কাট-ছাট করা যাবে না। হাদীসে বিভিন্ন শব্দে এ নির্দেশগুলো বর্ণিত হয়েছে। যেমন: ﺃﻋﻔﻮﺍ তথা লম্বা হতে দাও, ﺃﺭﺧﻮﺍ তথা ছেড়ে দাও, ﺃﺭﺟﻮﺍ তথা অবকাশ দাও, ﻭﻓﺮﻭﺍ তথা পূর্ণ বা বেশি হতে দাও, ﺃﻭﻓﻮﺍ সম্পূর্ণ কর। অধিকাংশ বিদ্বানগণ এ মতামত পোষণ করেছেন। আল্লাহ্ই সর্বাধিক অবগত।
add more- https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=651805541629560&id=562508907225891&substory_index=0

--------------------------------------------------------------------------------------
Tafazzal Hussain
1 hr ·
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্
• রাসুল সাঃ আমার আদর্শ •
দাড়ি রাখার উপকারিতা***
১)দাড়ি রাখলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) খুশি হন।
২) দাড়ি রাখা দ্বারা সকল নবীগণের সাদৃশ্য গ্রহণ করা হয়।
৩)দাড়ি রাখলে নবীজির শাফায়াত লাভ হবে। ৪)দাড়ি রাখলে কবরের আযাব মাফ হবে। ৫)দাড়িওয়ালার প্রতি মানুষের ধারণা ভাল থাকে এবং সে মানুষের দোয়া পায়।
৬)অপরিচিত স্থানে দাড়িওয়ালা মুসলমান মারা গেলে,মুসলমান কিনা চেনার জন্য উলঙ্গকরে খাতনা দেখতে হয় না।
৭)দাড়িতে চেহারার সৌন্দর্য্য বাড়ে এবং এবং বীরত্বের পরিচয় বহন করে।
৮)কিয়ামতের অন্ধকারে মুমিনের দাড়ি নূরে পরিণত হবে।
৯)ঈমান-আমল ঠিক থাকলে দাড়িওয়ালা ব্যক্তি নবী ও ওলীর সাথে সাক্ষাৎ ও হাশর হবে। ১০)দাড়ি রাখলে অনেক পাপ থেকে বেঁচে থাকা যায়।
১১) দাড়ি ইসলামী সভ্যতার অন্যতম প্রতীক। ১২) দাড়ি রাখলে মুনকার-নাকীরের সুওয়াল-জাওয়াবসহজ হয়। ১৩)লম্বা দাড়ি স্বাস্থের ক্ষতিকর জীবানু গুলোকে গলা ও সিনাতে পৌঁছতে দেয় না।
১৪) দাড়ি গলাকে শীত ওগরমের বিরুপ প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত রাখে। ১৫)দাড়ির অস্তিত্ব যৌনশক্তিকে বৃদ্ধি করে,যা ডাক্তার দ্বারা প্রমাণিত। ১৬)দাড়ি রাখলে পাইরিয়ার মত মারাত্বক রোগথেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
১৭)দাড়ি রাখলে সেভ করার অনর্থক সময় ও অর্থ অপচয় থেকে বাঁচা যায়।
১৮)দাড়ি দ্বারা গুণাহে জারিয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
১৯) দাড়ি রাখার দ্বারা শারীরিক সৌন্দর্য্যবৃদ্ধি পায়।
তাই দাড়ি রাখলে এই ক্ষতি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। আল্লাহ আমাদের দাড়ি রাখার তৌফিক দান করুক। আমিন...

--------------------------------------------------------------------------

[fm sayeed been jamal-fb-
Sahih Al-Bukhari Hadith 9.651 Narrated by Abu Said Al Khudri
The Prophet said, "There will emerge from the East some people who will recite the Qur'an but it will not exceed their throats and who will go out of (renounce) the religion (Islam) as an arrow passes through the game, and they will never come back to it unless the arrow, comes back to the middle of the bow (by itself) (i.e., impossible). The people asked, "What will their signs be?" He said, "Their sign will be the habit of shaving (of their beards). http://www.islamhelpline.net/node/1625