Monday, 10 October 2016

মাওলানা শব্দের ব্যবহার সম্পূর্ণ বৈধ

: রিয়াহ বিন হারিস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদল লোক আলী (রাঃ) এর মসলিসে এসে বললেন, 'السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا مَوْلَانَا' 'আসসালাম ওয়ালাইকুম ইয়া মাওলানা'। [মুসনাদ আহমাদ ৩৮/৫৪১, ২৩৫৬৩, শুআইব আরনাউত্ব হাদীছের সনদকে ছহীহ বলেছেন; মাজমু কাবীর তাবারানী ৪/১৭৩, ৪০৫৩; ইমাম হায়শামী 'মাজমু যাওয়ায়েদ' (৯/১০৬) তে বলেছেন 'ইহার বর্ণনাকারীগন ছিক্বাহ'; ইমাম শাওকানী 'দারুল শাহবাত' (১৪২) এ বলেছেন 'ইহার বর্ণনাকারীগন ছিক্বাহ'; আলবানী (রহঃ) বলেন 'ইহার সনদ উত্তম, বর্ণনাকারীগন ছিক্বাহ' (ছহীহাহ ৪/৩৪০)]

'মাওলানা' শব্দ ব্যবহার শির্কের পর্যায়ে পড়ে না।
-----------------------------

: 👆comment👇

: এই জামানার অনেক আহলে হাদিসের বক্তব্য এটা.....ভাল করে গবেষণা না করেই ব্যঙের মত লাফায়
[10/10, 1:16 PM] sogoodislam: 👆Remarks👇
[10/10, 1:16 PM] sogoodislam: ••• মাওলানা " শব্দের ব্যবহার সম্পূর্ণ বৈধ ••
*** জামাতে ইসলামীর জনৈক আলেম সাহেবের একটি ভিডিওতে দেখলাম যে, তিনি বলেছেন " আলেম- উলামাদের নামের সংগে " মাওলানা " ব্যবহার করা শির্ক । আসলে প্রকৃত ইলম না থাকলে এবং পবিত্র কুরআনের হাফেজ ও গবেষক না হলে যা হবার তাই হয়েছে । আমি অনুরোধ করবো যে, তিনি যেনো তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চেয়ে নেন । মনে রাখতে হবে যে, পরকালের আযাব দুনিয়ার আযাবের চেয়ে অনেক বেশী ভয়াবহ । এ রকম একটি মারাত্মক ভুল ফতওয়া তাঁর পরকাল ধ্বংস করে দিতে পারে ।
*** এবার আসুন আলোচনা করি ।
*** মহান আল্লাহপাক তাঁর গুণাবলীর অনেকগুলো শব্দ পবিত্র কুরআনে মানুষের জন্য ব্যবহার করেছেন । যে সব শব্দ তিনি মানুষের জন্য ব্যবহার করেছেন , তা' ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন বাঁধা থাকতেই পারেনা ।
*** আল্লাহপাক বলেন
ان تتوبا الي الله فقد صغت قلوبكما و ان تظاهرا عليه فان الله هو مولاه و جِبْرِيل و صالح المؤمنين والملائكة بعد ذالك ظهير
" তোমাদের উভয়ের হ্রদয়ে অন্যায় অনূভুত হওয়ার কারণে ক্ষমা চেয়ে নিলে উত্তম । আর যদি তা' না করো , তা'হলে মনে রেখো মহান আল্লাহপাক , জিব্রাইল আ: , সৎপরায়ণ মু'মিনগণ এবং ফেরেশ্তারা তাঁর ( রসুলের সা:) মাওলা (مولي) অর্থাৎ সাহায্যকারী ।"
সূরা আত তাহরীম ৪
*** আল্লাহপাক বলেন
يوم لا يغني مولي عن مولي شيئا و لا هم ينصرون
" কেয়ামতের দিন কোন মাওলা বা বন্দ্বু কোন বন্দ্বুর বিন্দুমাত্র কাজে আসবেনা এবং তাঁরা সাহায্যও পাবেনা ।"
সূরা আদ দুখান ৪১
*** মাওলা শব্দের অর্থ অভিভাবক / সহায় / সাহায্যকারী / বন্দ্বু ইত্যাদি । মওলভী হচ্ছে Singular , অর্থ আমার বন্দ্বু । মাওলানা অর্থ হলো আমাদের বন্দ্বু , ইহা plural শব্দ ।
** University of Sharjah তে আমার অনেক এ্যারাবিয়ান বন্দ্বুরা আমাকে স্বয়ং কথা- বার্তার ফাঁকে প্রায় সময়ে বলে থাকেন يا مولانا অর্থাৎ ওহে আমাদের দোস্ত ।"
*** এ শব্দটি ছাড়াও আরো অনেক শব্দ আল্লাহপাক মানুষের জন্য পবিত্র কুরআনে ব্যবহার করেছেন । যেমন তিনি মহানবী সা:কে বলেছেন
لقد جاءكم رسول من انفسكم عزيز عليه ما عَنِتُّم حريص عليكم بالمؤمنين رؤوف رحيم
সূরা আত তাওবা , শেষ আয়াত । এখানে عزيز رؤوف رحيم তিনটি গুণবাচক শব্দ যা আল্লাহপাক নিজের জন্য ব্যবহার করে থাকেন , তা' রসুলের সা: জন্যেও ব্যবহার করেছেন ।
*** আল্লাহপাক বলেন
رب ارحمهما كما ربياني صغيرا
সূরা আল ইসরা ২৪
এখানে رب অর্থাৎ প্রতিপালন করা আল্লাহপাক এবং মানুষের জন্য একইসঙ্গে ব্যবহার দেখানো হয়েছে ।
*** আল্লাহপাক বলেন
وان تَعْفُوا و تصفحوا و تغفروا فان الله غفور رحيم
সূরা আত তাগাবুন ১৫
এখানেও আল্লাহপাক স্বয়ং নিজের জন্য এবং মানুষের জন্য عفو غفور ব্যবহার করেছেন ।
*** আমাদের মূল সমস্যা হচ্ছে অনেক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আলেম কুরআনের হাফেজ নন । ফলে যা তা বলে বেড়ান । এ জাতীয় বক্তব্য কখন যে তাঁর জন্য ভয়ানক ও কাল হয়ে দাঁড়ায় , তিনি বুঝে উঠতে পারেননা ।
*** একজন আলেম যদি কুরআনের হাফেজ না হয় , তিনি মারাত্মক সমস্যা করতে পারেন । At the same time একজন হাফেজে কুরআন যদি আলেম না হয়ে বক্তা হয়ে যান , তিনিও ইসলামের জন্য বিষতুল্য ।
*** UAE তে অনেক ইমাম সাহেব আছেন , যারা কেবলমাত্র হাফেজে কুরআন , তাঁদেরকে কোন বক্তব্য / খোৎবা দেয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ । অনুরুপভাবে হাফেজবিহীন আলেমদেরকেও সুযোগ দেয়া হয়না ।
*** আলেম সমাজ যদি সতর্ক না হয় , তাঁদের ইহ ও পরকাল পুরোপুরি ধ্বংস । পবিত্র কুরআনের হিফজ না থাকার কারণে পীরতন্ত্রবাদ 'র মতো শয়তানিযম বিস্তার লাভ করেছে ।

Mqm Saifullah Mehruzzaman  ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে নেওয়া।
[10/10, 1:17 PM] sogoodislam: .......................e........
[10/10, 1:28 PM] ISLAM HOUSE: ✅✅✅

Sunday, 9 October 2016

কেয়ামতের পূর্বে মুসলিমরা মূর্তি পুজা করবে

কেয়ামতের পূর্বে মুসলিমরা মূর্তি পুজা করবে
(১) আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ ‘‘কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ ‘যুল-খালাসার’ পাশে দাওস গোত্রের মহিলারা কোমর দুলিয়ে নাচবে।’’ সহীহ বুখারীঃ ৭১১৬; সহীহ মুসলিমঃ ৭১৯০।
নোটঃ যুল-খালাসাহ হল দাওস গোত্রের মূর্তি। ইয়ামানের যুলখালাস নামক স্থানে দাওস বংশের এই মূর্তি ছিল, কোন বর্ণনায় এই স্থানের নাম তাবালাহ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞতার যুগে তারা এই মূর্তির ইবাদত করতো, সেখানে তাওয়াফ (চক্কর) দেয়া হতো।
(২) মুসলিমদের কোনো কোনো বংশ মূর্তি পূজা আরম্ভ করবে আর কিছু সংখ্যক মুশরিকদের সাথে মিলে যাবে। রাসুল (সাঃ) এর আযাদকৃত দাস সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ‘‘আমি আমার উম্মাতের ব্যাপারে পথভ্রষ্ট ইমাম বা নেতাদেরকে ভয় করছি। অচিরেই আমার উম্মাতের কোনো কোনো গোত্র বা সম্প্রদায় প্রতিমা পূজায় লিপ্ত হবে, এবং আমার উম্মতের কতগুলো গোত্র মুশরিকদের সাথে যোগ দিবে।’’ সুনানে আবু দাউদঃ ৪২৫২; সুনানে ইবনু মাযাহঃ ৩৯৫২; শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানি (রহঃ) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
(৩) কেয়ামতের পূর্বে ‘লাত’ ও ‘উজ্জার’ পূজা এমনভাবে শুরু হবে যেইভাবে জাহেলিয়াতের সুময় (অন্ধকার যুগে) প্রচলিত ছিল। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, ‘‘রাত ও দিন শেষ হবে না, যতক্ষন না লাত ও উযযা দেবতার পূজা আবার শুরু করা হবে। এ কথা শুনে আমি (আয়িশায় রাঃ) বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ নাযিল করেছেন, ‘‘তিনি তাঁর রাসুলকে পাঠিয়েছেন হিদায়াত ও সত্য দ্বীন সহকারে, সকল দ্বীনের উপর বিজয়ী করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।’’ সুরা আত-তাওবাঃ৩৩। এই আয়াত নাযিলের পর আমি (আয়িশাহ) তো মনে করেছিলাম যে, এ প্রতিশ্রুতি পূরন করা হবে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ ‘‘তা অবশ্যই হবে। তবে যতদিন আল্লাহ ইচ্ছা করবেন ততদিন পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। অতঃপর তিনি এক মনোরম বাতাস প্রেরন করবেন। ফলে যাদের অন্তরে সরিষার দানা পরিমান ঈমান আছে তাদের প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। পরিশেষে যাদের মাঝে কোন কল্যাণ (অর্থাৎ, ঈমান) নেই তারাই শুধু বেঁচে থাকবে। অতঃপর তারা আবার পিতৃ-পুরুষদের ধর্মের (শিরকের) দিকে ফিরে যাবে।’’ সহীহ মুসলিমঃ ৭১৯১ (৫২/২৯০৭)।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে এবং আমাদের পরিবারকে প্রকাশ্য ও গোপন, নামে ও বেনামে সকল ধরনের মূর্তি পূজা এবং যাবতীয় শিরকি কর্মকাণ্ড থেকে হেফাযত করুন (আমিন)।

#Shahab_Babu

Friday, 23 September 2016

অধিকাংশ মানুষ করলেই কি সঠিক হয়?

অধিকাংশ মানুষ করলেই কি সঠিক হয়?কারন বর্তমান অনেকে বলে থাকে যে এত বড় বড় হুযুরগুলা কি বুজেনা‚তারা কি জানেনা‚এত হাজার হাজার মানুষ কি ভুল করতেছে?দেখা যাক কোরআন এইক্ষেত্রত কি কয়

1)surah Rad (13:1): আলিফ লাম মিম রা‚তা কোরআনে আয়াত.....কিন্তূ অধিকাংশ লোকেই তা অবিশ্বাস করেনা। (অর্থাৎ অধিকাংশই কোরআনের প্রতি অবিশ্বাসী)

2)surah Baqarah(2:243): অধিকাংশ লোকেই অকৃতজ্ঞ ।

3)surah An'am(6:116):" আপনি যদি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথা মানেন তাহলে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে (গোমরাহ করবে কারন) তারা কল্পনার অনুসারী এবং তারা মনগড়া কথা বলে ।"

4) Surah Yusuf (12:106): "তাদের অধিকাংশ মানুষ শির্কযুক্ত অবস্থায় ঈমান আনে ।[অর্থাৎ অধিকাংশ মানুষ ঈমান আনার পরেও শির্ক করে আর শির্ককারী ব্যক্তি চিরস্থায়ী জাহান্নামী যদি না মৃত্যূর আগে তওবা করে।](surah Nisa 4:48) ।

তাহলে কোরআন বলছে অধিকাংশ হইলেই সঠিক হয়না ।কথাটা একটু ভেবে দেখবেন ।(

Thursday, 22 September 2016

দেখুন কি তাওয়াক্কুল

### রফিক সাহেব :-
একজন সরকারি কর্মকর্তা। ১৮ লাখ টাকা পেনশন পেয়েছেন। সম্পূর্ণ টাকা ব্যাংকে রেখেছেন যাতে ভবিষ্যতে রোগ ব্যধি হলে দেখাতে পারেন। ও হ্যা মাস শেষে ১৮ হাজার তুলতে উনি কখনো ভুলেন না!
মাত্র ৪ বছরের মাথায় উনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেন।

### আফসানা:-
নিজের পায়ে না দাড়ানো পর্যন্ত নাকি বিয়েই করবে না। স্বামীর টাকায় নাকি সে চলবে না।৪০ বছর হয়ে গেল মেয়েটার এখনো বিয়েই হলো না!

### রুমি :-
অনেক পড়ালেখা করে রুমি। ও বলে পড়ালেখা না করলে ভালো চাকরি জুটবে না। বিয়ের পর যদি স্বামী মারা যায় তখন তার কি হবে! ভবিষ্যতের কথা তো বলা যায় না!হায় কি ভাগ্য বিয়ের ৫ বছর পর স্বামী মারা গেল!

------নিয়্যাহ কতটা পাওয়ারফুল একবার ভেবে দেখেন। উনারা সবাই কিন্তু আমাদের আশেপাশেই আছে।

রফিক সাহেব টাকা জমা রাখেন কারণ রোগ হবে বলে। দেখুন উনি নিজেই নিজের রোগকে কিভাবে ডেকে আনছেন!

আফসানার বরই জুটলো না বরের টাকায় চলা তো দূরের কথা।

রুমি চাকরি করে,কারণ তার স্বামী মারা যাবে বলে। উনারা কাজটা করার আগে নিজেরাই কিভাবে নিজেদের গতিকে ঠিক করে দিচ্ছে!

সুবহানআল্লাহ! তাদের কাজটা কিন্তু তাদের নিয়্যাহ অনুযায়ীই এগিয়ে যাচ্ছে।
উনারা যারা যা চেয়েছিল সবাই তাই পেয়েছে!

হাজেরা (আঃ) ইব্রাহীম (আঃ) কে বললেন, মানুষ নেই ঘর নেই পানি নেই গাছ নেই এমন জায়গায় আপনার স্ত্রী পুত্রকে একা ফেলে কোথায় চলে যাচ্ছেন! আল্লাহ কি আপনাকে এমন করতে বলেছেন?

ঠিক ক আছে আপনি যান। তিনি আমাদের ধ্বংস করবেন না!
দেখুন কি তাওয়াক্কুল!
এই হাজ্জেও হাজীরা সাফা-মারওয়া পাহাড় দৌড়াবে জমজম কূপের পানি খাবে শুধুমাত্র তার এই তাওয়াক্কুলের কারণে! সুবহানাল্লাহ!

মূসা ( আঃ) নিজ শহর ত্যাগ করলেন। ভাবলেন না কোথায় থাকবেন কি খাবেন। বরং বলে যাচ্ছেন নিশ্চয় আল্লাহ পথ দেখাবেন। আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা'লা তাকে থাকার ব্যবস্থা করে তো দিলেনই সাথে জীবনসঙ্গীসহ ১০ বছর থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন।

জানেন রফিক সাহেব কি বলেছিলো অপারেশনের পর? টাকাটা ব্যাংকে রেখেছিলাম বলেই আজকে অপারেশনের টাকাটা জুটলো না হলে বিছানায় থেকে মরতে হত।
উনি উনার স্টেটমেন্ট হয়ত ভুলে গেছেন।উনি ব্যাংকে টাকা রেখেছিলেন এই বলে যে একসময় তার রোগ হবে!

আজকে আপনি আমি আমরা সবাই আল্লাহ কে ভয় করা বাদ দিয়ে ভয় করি রোগকে, ভয় করি টাকা না থাকাকে।

আমরা কতটা নিচে চলে গেছি ভেবে দেখুন! অজান্তেই শিরকের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছি আর ওরা মাজারে যায় দেখে বলি 'আরে ও তো মরে গেছে ও কিভাবে তোমাকে দিবে' ওরটাতো দেখা যায় ওকে না হয় বোঝানো যাবে কিন্তু আপনারটা? আপনারটাতো দেখা যায় না কে বোঝাবে আপনাকে?

আপনি ছাত্র হলে পড়ালেখাটা আল্লাহর জন্য করুন। চাকরিটা আল্লাহর জন্য করুন। তাঁর নিয়মের ভিতরে থেকে করুন। তাওয়াক্কুল রাখুন। ভাল ভাল নিয়্যাহ করুন। আপনি সবার থেকে সুখী হবেনই! কেউ ঠেকাতে পারবে না!
(সালাউদ্দিন চৌধুরী)(courtesy. Jahangir Alambd) 

Friday, 1 January 2016

নৱবৰ্ষৰ উৎসৱত ,ডাক অথবা ইন্টাৰনেটৰ জৰিয়তে শুভেচ্ছা বিনিময় , মুছলমানসকলৰ কাৰণে বৈধ নহয়

নৱবৰ্ষৰ উৎসৱত ,ডাক অথবা ইন্টাৰনেটৰ জৰিয়তে শুভেচ্ছা বিনিময় , মুছলমানসকলৰ কাৰণে বৈধ নহয়ঃ-
[তাওহীদী ভাৱাদৰ্শত জাগ্ৰত হৃদয়ৰ বাহিৰে এইবোৰৰ বৈধতাৰ অৰ্থ আৰু ভাৱ হৃদয়াঙ্গম কৰা সম্ভৱ নহয়।]
*          *          *          *          *          *          *          *          *          *          --মুছলিম উম্মাহৰ ঈদৰ সৈতে আকিদা-বিশ্বাস আৰু জীৱনাদৰ্শ সংমিশ্ৰিত, আৰু ই সকলো বিজাতীয় উৎসৱৰ পৰা সম্পূৰ্ণ ভিন্ন।
--কিয়নো এই উম্মত সৰ্বশেষ ঐশীবাৰ্তাবাহক জাতি। যাৰ নবী হৈছে- মুহাম্মদ চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম আৰু পৱিত্ৰ গ্ৰন্থ হৈছে- মহাগ্ৰন্থ আল কোৰআন।
--আল্লাহ তা'আলাই এই উম্মতক সৰ্বোচ্চ সৌন্দর্যৰে অভিষিক্ত কৰিছে, আল্লাহে ঘোষণা কৰিছে: “তোমালোকে ভাল কামৰ নিৰ্দেশ দিয়া আৰু অন্যায় কামত বাধা প্ৰদান কৰা, আৰু আল্লাহৰ প্ৰতি ঈমান আনা। ) ছুৰা আলে ইমৰান: ১১০”।
--গতিকে কি কাৰণে পঁচিশ ডিচেম্বৰৰ পৰা সমগ্ৰ বিশ্ব জুৰি আৰম্ভ হোৱা খৃষ্টীয় উৎসৱ যিটো একত্ৰিশ ডিচেম্বৰত নৱবৰ্ষীয় মহোৎসৱৰ দ্বাৰা শেষ হয় আৰু মুছলমানসকলে, সজ্ঞানে অথবা অবচেতনভাৱে, আল্লাহে তেওঁলোকক যি সন্মান আৰু বৈশিষ্ট্য দিছে, তাত বিতুস্ত হৈ এই উৎসৱত অংশ গ্ৰহণ কৰি থাকে?
--আনাছ ৰাদিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বৰ্ণিত, তেওঁ কৈছে, ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামে যেতিয়া মদিনালৈ আগমন কৰিলে। তেতিয়া সিহঁতৰ ক্ৰীড়া-উল্লাসৰ দুটা দিৱস আছিল। ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামে ক’লে, 'এই দিৱস দুটা কি কি'? উত্তৰত সিহঁতে ক’লে, 'জাহেলী (অজ্ঞতা) যুগত আমি এই দিৱস দুটা ক্ৰীড়া-উল্লাসত কটাইছিলোঁ‘। ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামে ক’লে, ’আল্লাহ তা'আলাই ইয়াৰ পৰিবৰ্তে উত্তম দুটা দিৱস তোমালোকক দিছে- ঈদুল আজহা আৰু ঈদুল ফিতৰ'। [ আবু দাউদ, আহমদ] ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামে আবু বকৰ ৰাদিয়াল্লাহু আনহুক ক’লে, 'হে আবু বকৰ! প্ৰত্যেক জাতিৰেই উৎসৱ আছে, আৰু এই দুটা আমাৰ উৎসৱ' [ বুখাৰী ]।
--আমাক আল্লাহে হিদায়ত দিছে। আজিৰ দিৱস (শুক্ৰবাৰ) আমাৰ কাৰণে¸অহা কালিৰটো (শনিবাৰ) ইহুদীসকলৰ আৰু পৰহি (দেউবাৰ) হ'ল নাছাৰাসকলৰ‘ [ বুখাৰী আৰু মুছলিম ]।
--শুদ্ধ অনুভূতিৰ অভাৱ, ইমানী দুৰ্বলতা ইত্যাদিৰ কাৰণে, বৰ্তমান যুগৰ কিছুমান মুছলমানে যীশুখৃষ্টৰ জন্মতিথি আৰু নৱবৰ্ষৰ উৎসৱ ইত্যাদিত অংশ গ্ৰহণ কৰি থাকে, নাছাৰাসকলৰ বেশভূষা, সিহঁতৰ ধৰ্মীয় চিহ্ন ইত্যাদি ব্যৱহাৰ কৰি থাকে, মুছলমানসকলৰ কাৰণে এইবোৰ বৈধ নহয়।
--আব্দুল্লাহ ইবনে আমৰ ইবনে আচ ৰাদিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বৰ্ণিত, তেওঁ কৈছে, ’যি ব্যক্তিয়ে মুশ্বৰিকসকলৰ দেশত ঘৰ সাঁজিলে, তেওঁলোকৰ উৎসৱ-দিৱস পালন কৰিলে আৰু সেই অৱস্থাত তেওঁৰ মৃত্যু হ'ল, তেন্তে তেওঁৰ হাশ্বৰ-নশ্বৰ তেওঁলোকৰ সৈতেই হ’ব'। [ ছুনানে বাইহাকি ৯/২৩৪ ]
--যি ব্যক্তিয়ে আলিমসকলৰ পোচাক গ্ৰহণ কৰে সি নিজকে আলিমসকলৰ সৈতে সম্পৃক্ত বুলি অনুভৱ কৰি থাকে আৰু যি ব্যক্তিয়ে সৈনিকৰ পোচাক পিন্ধে তাৰ হৃদয়ত সৈনিকসংলগ্ন ভাৱ জন্মে।
--হিকমতৰ মাজত আৰু এটা হ'ল- প্ৰকাশ্য বেশভূষাত সাদৃশ্য গ্ৰহণ। ইয়ে সমিলমিল আৰু সংমিশ্ৰণ-সন্মিলন ঘটোৱাৰ কাৰণ হয়¸ হিদায়াতপ্ৰাপ্ত মুমিন আৰু অভিশপ্তসকলৰ মাজত ভিন্নতা আৰু বৈশিষ্ট্যৰ প্ৰাচীৰ উঠি যায়।
--ইবনুল কাইয়্যিম ৰাহিমাহুল্লাহে আহকামু আহলিয্ যিম্মাহ ( যিম্মিসকলৰ বিধান) গ্ৰন্থত কৈছে, ’ বিজাতিসকলৰ নিজস্ব কুফুৰি নিদৰ্শনকেন্দ্ৰিক কোনো উপলক্ষ্যত শুভেচ্ছা বিনিময়, শুভেচ্ছাবাৰ্তা প্ৰদানকাৰী হাৰাম বুলি বিবেচিত হ’ব।
[মূলঃ-Hifzur Rahman-Edited by-sgis-]
–অন্ত-

সাবধান, খিযির ( আঃ ) জীবীত আছেন, একথা সূফিদের তৈরী


"খিযির (আঃ) ও ইলিয়াস (আঃ) এর দীর্ঘ জীবন"
"সূরা কাহাফের মধ্যে আল্লাহ্‌ মূসা ( আলাইহিস্ সালাম ) এর সাথে আল্লাহ্‌র একজন বান্দার কিছু ঘটনা উল্লেখ করেছেন, কুরআনে এই বান্দার নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে সহীহ্ হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই বান্দার নাম 'খাযির' (প্রচলিত বাংলায়ঃ খিযির)
এই একটি মাত্র ঘটনা ছাড়া অন্য কোন ঘটনায় খিযির (আঃ) এর বিষয়ে কোন সহীহ্ বর্ণনা নেই,
যেমন, তার জম্ম, বাল্যকাল, কর্ম, নবুয়াত,
কোরআন ও সহীহ্ হাদীসের এই একটি ঘটনা ছাড়া, ঘটনার পরবর্তী কালে তার জীবন ও তার মৃত্যু সম্পর্কে কোন প্রকারের কোন বর্ণনা কোন সহীহ্ হাদীসে নেই, তিনি আবে হায়াতের পানি পান করেছিলেন ইত্যাদি কথা সবই ইহুদী, খৃষ্টানদের মধ্যে প্রচলিত কথা মুসলিম সমাজে প্রবেশ করেছে,

আল্লামা মাউসিল বলেনঃ খিযির ( আঃ ) ও ইলিয়াস ( আঃ ) দীর্ঘ জীবন পেয়েছেন, তারা রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) কে দেখেছে বা কথা বলেছেন, তার পরে বেচেঁ আছেন, ইত্যাদি অর্থে বর্ণিত সকল হাদীসই মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
তিনি বলেনঃ ইমাম আহমেদ ইবনে হাম্বল ( রহঃ ) কে খিযির ( আঃ ) ও ইলিয়াস ( আঃ ) এর দীর্ঘ জীবন ও জীবিত থাকার বিষয়ে জিজ্ঞাসা কলা হয়, তিনি বলেনঃ সয়তানই এই এইবিষয়টি মানুষের মধ্যে প্রচারিত করেছে,
এবিষয়ে ইমাম বুখারীকে প্রশ্ন করা হয় যে, খিযির ( আঃ ) ও ইলিয়াস ( আঃ ) কি এখনো জীবিত আছেন?
ইমাম বুখারী বলেনঃ তা অসম্ভব,
কারণ, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বলেছেনঃ আজকে দুনিয়ায় যারা জীবিত আছেন তাদের সকলেই 100 বছরের মধ্যে মৃত্যু বরণ করবেন,
ইবনুল জাওযী, খিযির ( আঃ ) ও ইলিয়াস ( আঃ ) এর দীর্ঘ জীবনের বিষয়ে বলেনঃ এই কথাটি কোরআনের আয়াতের পরিপন্থী,
কারণ, মহান আল্লাহ্ তা'য়ালা এরশাদ করেছেনঃ আপনার পূর্বে কোনো মানুষকেই আমি অনন্ত জীবন দান করিনি? সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরজীবী হয়ে থাকবে। সূরা আম্বিয়াঃ-34
সুতরাং,খিযির ( আঃ ) জীবীত আছেন, একথা সূফিদের তৈরী, সাবধান! হে'মুসলিম ?
[ জান্নাতুল ফেরদাউস‎ to কোরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জীবন গড়ুন।]